শামছুল হক
সিরাজগঞ্জে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রোকন ও কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নিজস্ব প্রতিষ্ঠান দারুল ইসলাম একাডেমির মাঠে ২১ শে সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৯ টা থেকে শুরু হয়ে তা সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত চলতে থাকে।
দুই পর্বের এ অনুষ্টানের ১ম পর্ব সকাল ৯ টা থেকে শুরু হয়ে চলে দুপুর ১ টা পর্যন্ত। এ পর্ব শুধুমাত্র জামায়াতের সিরাজগঞ্জ জেলার রোকনদের জন্য উন্মুক্ত ছিল । জামায়াতের সাধারণ কর্মীদের এতে প্রবেশাধিকার ছিলনা। পুরুষ রোকনের পাশাপাশি মহিলা রোকনের উপস্থিতি ছিল উল্লেখ করার মত। এতে নারী পুরুষ সব মিলে প্রায় দেড় হাজার রোকন উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতের সাধারণ কর্মীদের জন্য ২য় পর্ব বিকেল ৩ টায় শুরুর কথা থাকলেও জোহর নামাজের পর থেকেই দারুল ইসলাম একাডেমী মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। আশে পাশের বিল্ডিং সহ রাস্তাঘাট ও বাড়ির আঙ্গিনায় লোকজনের দাঁড়াবার ঠাঁই ছিলনা।
অনুষ্ঠান শুরুর আগে বিভিন্ন শিল্পী গোষ্ঠী জিহাদী গান ও ইসলামী সংগীতে কর্মীদের মাতিয়ে রাখেন।
এ পর্ব চলে সন্ধ্যা পর্যস্ত।
সম্মেলনের উভয় পর্বে জামাতের স্থানীয় এবং কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় জামাতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান দিক নির্দেশনা মুলক বক্তব্য রাখেন। এ ছাড়া ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সহ দেশ বরেন্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডাক্তার শফিকুর রহমান বলেন জাতি আর কোন অত্যাচারী ফ্যাসিস্টকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চায় না। এজন্য সকলকে সজাগ থাকার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন দীর্ঘ সাড় ১৫ বছর আমরা মুখ খুলে কথা বলতে পারিনি।
তিনি আরও বলেন - এদেশে সংখ্যালঘু বলতে কোন শব্দ নেই। এদেশে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সহ সবাই সমান। কারুর মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করা যাবেনা।
ডক্টর শফিকুর রহমান আরও বলেন, দলের নেতা হিসেবে আমার কারো উপর ক্ষোভ নেই। শত্রুদেন সাধারণ ক্ষমা করে দিয়েছি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা পরিবার যদি আইনী ব্যবস্থা নিতে চায় তবে জামাত তাতে বাধা দেবে না । তবে আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়ার জন্য তিনি সবাইকে অনুরোধ জানান।

নিউজ ডেস্ক,অনলাইন