ছানোয়ার হোসেন,মফস্বল সম্পাদক বিজয় বিডি ৭১
আজ জাতীয় রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, বরেণ্য ইসলামী চিন্তাবিদ ও জনপ্রিয় নেতা আলহাজ্ব মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ–৪ (উল্লাপাড়া–সলঙ্গা) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
মনোনয়নপত্র জমাদান উপলক্ষে উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী, আলেম–ওলামা ও সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এ সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে উৎসাহ, উদ্দীপনা ও আশার সঞ্চার হয়।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে উল্লাপাড়া–সলঙ্গা অঞ্চলে নৈতিকতা, সুশাসন ও ইনসাফভিত্তিক রাজনীতির অভাব স্পষ্ট। এই প্রেক্ষাপটে আলহাজ্ব মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানের মতো একজন সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন বলে তারা মনে করছেন।
আলহাজ্ব মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ইসলামী আন্দোলন, দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার, সমাজ সংস্কার, মানবিক সহায়তা ও নৈতিক রাজনীতির ক্ষেত্রে সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন নেতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়, দুর্নীতি ও অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
এলাকাবাসীর মতে, তিনি নির্বাচিত হলে উল্লাপাড়া–সলঙ্গা অঞ্চলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজের মাঝে নৈতিকতা ও আদর্শিক রাজনীতির প্রতি আগ্রহ বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।
মনোনয়নপত্র জমাদান শেষে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় নেতাকর্মীরা বলেন, এই আসনে ইসলামী মূল্যবোধের বিজয় নিশ্চিত করতে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন এবং শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে জনগণের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে যাবেন।
উপসংহার
সিরাজগঞ্জ–৪ (উল্লাপাড়া–সলঙ্গা) আসনে আলহাজ্ব মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলের রাজনীতিতে একটি নতুন আশার বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে ইসলামী আদর্শভিত্তিক, ন্যায়পরায়ণ ও জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা যদি সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়, তাহলে এই আসনে পরিবর্তনের শক্তিশালী সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়—জনগণ তাদের ভোটের মাধ্যমে কাকে দায়িত্ব দেন এবং কিভাবে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্বাচন করেন।